প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহীতে তিন দিনব্যাপী ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় সমাজসেবা অধিদপ্তর রাজশাহীর সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। কর্মশালাটি চলবে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল। রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. ডালিম হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং সাংবাদিকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে তথ্যের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন সাংবাদিককে এখন শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, বরং তথ্যের সত্যতা যাচাই করেও প্রকাশ করতে হবে। এআই প্রযুক্তি সাংবাদিকতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, তবে এর ব্যবহার অবশ্যই নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে করতে হবে। ফ্যাক্ট চেকিংয়ের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা জনস্বার্থে আরও নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ দক্ষ, আধুনিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
রাসিক প্রশাসক আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নগরবাসীর সেবা করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। শহীদ জিয়া শিশুপার্ক এবং রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নের পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে মিট প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর সকল ড্রেনের কাদামাটি পর্যায়ক্রমে উত্তোলন করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল বলেন, “সাংবাদিকদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া অপরিহার্য। এআই ব্যবহারের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাগত নৈতিকতা ও তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই প্রশিক্ষণ রাজশাহীর সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।”
কর্মশালায় জানানো হয়, রাজশাহী জেলার সাংবাদিকদের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়াই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় সমাজসেবা অধিদপ্তর রাজশাহীর সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। কর্মশালাটি চলবে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল। রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. ডালিম হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং সাংবাদিকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে তথ্যের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন সাংবাদিককে এখন শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, বরং তথ্যের সত্যতা যাচাই করেও প্রকাশ করতে হবে। এআই প্রযুক্তি সাংবাদিকতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, তবে এর ব্যবহার অবশ্যই নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে করতে হবে। ফ্যাক্ট চেকিংয়ের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা জনস্বার্থে আরও নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ দক্ষ, আধুনিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
রাসিক প্রশাসক আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নগরবাসীর সেবা করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। শহীদ জিয়া শিশুপার্ক এবং রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নের পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে মিট প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর সকল ড্রেনের কাদামাটি পর্যায়ক্রমে উত্তোলন করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল বলেন, “সাংবাদিকদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া অপরিহার্য। এআই ব্যবহারের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাগত নৈতিকতা ও তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই প্রশিক্ষণ রাজশাহীর সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।”
কর্মশালায় জানানো হয়, রাজশাহী জেলার সাংবাদিকদের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়াই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।
নিজস্ব প্রতিবেদক